ঢাকার মোবাইল ফিল্ম ফেস্টিভে রেকর্ড সংখ্যক ছবি

৭ জুলাই, ২০১৯ ১৬:২৩  
ষষ্ঠ ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসবে ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে শতাধিক চলচ্চিত্র। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) The Last Doppelganger চলচ্চিত্রটি জমা পড়ার মধ্য দিয়ে জমা পড়া চলচ্চিত্রের সংখ্যা শতকের ঘর স্পর্শ করে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে আগ্রহীরা জমা দিতে পারবেন নিজেদের বানানো চলচ্চিত্র। ছবি জমা পড়ার এই হার অনুযায়ী এবার রেকর্ড পরিমাণ মোবাইল চলচ্চিত্র জমা পড়তে পারে মনে করছে আয়োজকরা। আয়োজক কমিটির সদস্য ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত বছরে মোট ৯৩টি মুভি জমা পড়েছিলো। এবার ইতিমধ্যেই তা শতক ছাড়িয়েছে। গত ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৪ জুলাইয়ে আমরা ১০০তম চলচ্চিত্রটি পেয়েছি। এখনো দুই মাসের বেশি সময় বাকি আছে। মনে হচ্ছে জমা পড়া ছবির সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাবে। তিনি বলেন, এ বছর আমরা ১ মিনিটের ছবির ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। গত বছর এই বিভাগে মাত্র ৬টি ছবি জমা পড়েছিলো। এবার এর সংখ্যাও বাড়ছে। একই সঙ্গে গত বছর পর্যন্ত ১০ মিনিটের বেশি দীর্ঘ চলচ্চিত্র গ্রহণ না করা হলেও এ বছর মোবাইল তৈরি ২ ঘণ্টার চলচ্চিত্রও নেয়া হয়েছে। জানা গেছে, স্ক্রিনিং, কম্পিটিশন এবং ওয়ান মিনিট, এই তিন ক্যাটাগরিতে চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে। স্ক্রিনিং বিভাগের জন্য যে কেউ যে কোনও প্রান্ত থেকে চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন আগ্রহীরা। কম্পিটিশন বিভাগের জন্য শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন। এই বিভাগ থেকে সেরা চলচ্চিত্রটি পাবে 'সিনেমাস্কোপ বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড'। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ওয়ান মিনিট বিভাগের জন্য চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন এবং এই বিভাগের সেরা চলচ্চিত্রটি পাবে 'ইউল্যাব ইয়াং ফিল্ম মেকার অ্যাওয়ার্ড'। স্ক্রিনিং এবং কম্পিটিশন বিভাগের জন্য চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য হতে হবে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট এবং ওয়ান মিনিট বিভাগের জন্য টাইটেল ও ক্রেডিট লাইন মিলিয়ে ১ মিনিট দৈর্ঘ্যের। প্রত্যেক প্রতিযোগী সর্বোচ্চ দুইটি চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন। প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রের সঙ্গে সাব টাইটেল যুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক। আরও বিস্তারিত জানতে যেতে হবে এই 'ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসব' এর ওয়েবসাইটটিতে। এছাড়াও সিনেমাস্কোপ বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড এবং ইউল্যাব ইয়াং ফিল্ম মেকার অ্যাওয়ার্ড এর জন্য বিজয়ীরা পাবেন ক্যাশ প্রাইজ, ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট। প্রসঙ্গত, 'নতুন প্রজন্ম, নতুন প্রযুক্তি ও নতুন যোগাযোগ' এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসবের যাত্রা শুরু হয় ২০১৫ সালে। এর আয়োজনে রয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় 'ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ' (ইউল্যাব) এর শিক্ষানবিশ কার্যক্রম 'সিনেমাস্কোপ'।